বাংলাদেশের সোনার সীমান্ত সময়ে দামের ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে চূড়ান্তভাবে সোনার দামের নতুন রেকর্ড তৈরি করা হয়েছে, যা তৈরি করা হয়েছে এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে হয়েছে।
গত ৩১ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) যেভাবে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৫৭৫ টাকা বাড়াতে ১,৪৩,৫২৬ টাকায় চালু হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার দাম। স্থানীয় জনতাতেজাবী সোনার দাম বাড়ার ফলে এই বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমি
পূর্ববর্তী দামের পরিবর্তন
এর আগে, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সোনার দাম ১,৮৯০ টাকা বাড়াতে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি দাম ১,৪১,৯৫১ টাকায় পার্টি ছিল। শুধু মাত্র একই মধ্যে সোনার দাম বড় করে বৃদ্ধি করুন। আমি
পার দামের পরিবর্তন
সোনার দামেরও রুপার দামেও পরিবর্তন। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৬৪১ টাকার বিনিময় ২,৭৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও, ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতি রুপার দামও বৃদ্ধি করুন। আমি
দামের বৃদ্ধির কারণ
বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি এবং ভূ-মধ্যরাজনৈতিক উত্তরেজেনা দামের বৃদ্ধিতে প্রভাব বলে সোনাছে। প্রভাব ফেলছে তাদের পছন্দ, বিনিয়োগকারীরা পাঠদান হিসাবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন, যা দামের উপর প্রভাব ফেলছে। আমি
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি প্রকাশদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। গণমানুষ এবং ক্ষমতার চাহিদা বাড় বাড়, দামের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য গণনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিক্রেতারা বলেছেন যে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সাথেই এই দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে
বিডি পাবলিক নিউজ
ভবিষ্যৎ পূর্বভাস
বিশ্ববাজারের বর্তমান বাস্তবতা, সোনার দামের স্থায়ীশীলতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বাজারের নিয়ম নিয়ন্ত্রণ করতে
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বগতি পরিস্থিতি অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলে হবে।